To Write a Beautiful Poem

To Write a Beautiful Poem

No one told me to travel a thousand miles to write a beautiful poem,

Nowhere did anyone write that poetry can be created with a calm mind,

No one wished for me to blow a life jacket’s whistle while drowning in the sea of painful memories,

No one asked how scarred one must be to call this heart a ruin,

Perhaps it wasn’t necessary to break one’s heart to write a beautiful poem,

Nor was there a lazy urge to fall in love anew,

Or the stubbornness to embrace or the regret of not meeting for the last time,

Perhaps it wasn’t necessary,

If only we could go back to the old town; get soaked in the old field after class,

If only our hearts and the covering of memories could become innocent again,

Then, perhaps, a beautiful poem could be written once more.

খসখসে চিঠি (Rough Letter)

খসখসে চিঠি (Rough Letter)

Rajiul Huda Dipto is a professional screenplay writer and working for years in the Bangladeshi TV industry. Besides that, he introduces himself as a photographer, whose photographs have been featured in various magazines and exhibitions all around the world. Not regularly, but he publishes his works in national dailies as well. Currently, he is working as a community writer in BuzzFeed and a contributor in Getty Images.

 

প্রিয় শুভাসী,

কম্পিউটারের টিপ টিপ বা মোবাইলের ট্যাপ ট্যাপ শব্দের চেয়ে আখের ছোবড়া দিয়ে বানানো কাগজের উপরে তিনটা দোকান ঘুরে বের করা, বাজেটের থেকে বেশী দাম দিয়ে কেনা Classic Ink Pen এর খসখস শব্দ আমার বেশী প্রিয়। তাই, তোমাকে চিঠি লিখি।
এই শহরে পোস্টবক্স দেখলে জনার্দনের চায়ের দোকানের কথা মনে পড়ে। আগে যে শহরে ছিলাম, সেখানে তার চায়ের দোকানের পাশেই পোস্টবক্স টা ছিলো কি না। প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আমি চা খেয়ে চিঠি ফেলে যেতাম। এখন এই শহরে কাওরানের উলটো দিকে একটা পোস্টবক্স দেখি। তার রঙ আমার স্মৃতির মতোই লাল। এখানে আসার পর সেই বক্সে প্রায় দুই সপ্তাহ চিঠি ফেলেছিলাম। তোমার কোনো উত্তর না পেয়ে, খোঁজ নিয়ে দেখলাম যে তোমার শহরে পোস্ট অফিস এখন শুধুমাত্র টাকা জমা রাখার স্থান। Post man আর তালে তালে চিঠিতে খ্যাটর খ্যাটর করে সিল মারেননা। তাই আর চিঠি পাঠাইনি। তবে, লিখা ছাড়িনি।

চলে আসার সময় দুটো ওয়াদা করেছিলাম, মনে আছে? এক তোমাকে ভোলা চলবে না আর দুই চিঠি লিখবো। লিখে যাচ্ছি। এই চিঠি তো তোমাকে পোস্ট করা হবে না। তাই, আমার অর্ধেক ভাঙা (আদতে কিছু টা বেশী) কাপড়ের ড্রয়ারের দুই নাম্বার পাল্লায় কোণার দিকে সব চিঠিপত্তর রেখে দিবো ঠিক তোমার দেয়া পচতে থাকা সানগ্লাসের বাক্সটার উপরে।
আচ্ছা, তোমাদের বাসার উলটো দিকের মসজিদে পাঁচ ওয়াক্তের আযান কি এখনো একি রকম সুরে বাজে? আযানের সময় হুজুর সাহেব কি এখনো নাকে বেশী টান দেন?

তোমার বাবা কি এখনো প্রতিদিন ছাদে বসে বসে মেহেদি তুলেন আর দাঁড়িতে লাগান?
উনি এখনো কি দুপুরে শিঙাড়া এনে খাওয়ান?
তোমার মা কি আর পায়েস রাঁধেন না?

ছাদে গিয়ে চুপ করে আমার সাথে ফোনে কথা বলার সময় পাশের বাড়ির ছোট্ট মেয়েটা তোমাকে দেখে আর আপু আপু বলে চিতকার দেয় না?
তোমার বাসার সামনে সাইকেল নিয়ে পায়চারি করা আট বছরের ছেলেটা কি এখনো তোমায় দেখে লজ্জা পায়?
মোড়ের বয়স্ক লোকটার দোকান থেকে কি আর রিচার্জের কার্ড নাওনা?
চুল কাটাতে পার্লারে যাও? নাকি অনেকদিন হয় না?

ফিজিক্স প্রফেসরের ওই গলিতে গোলাপি ব্যাগ নিয়ে স্যান্ডেল খসখস করে হাঁটতে হাঁটতে আর যাওনা না?
এখনো কি হাফ খাওয়া চকোলেট ফ্রিজে থেকে থেকে expired হয়ে যায়?
মশারি কি এখনো টাঙাও?

আর ফালুদা? শেষ বার কবে বানিয়েছো?
আমাকে কি মনে পড়ে?
এখনো ফোন দিতে ইচ্ছা করে?
করেনা না?

নাই করুক। ফোন দিয়ো না তো। আমি আমতা আমতা করবো, তুমি নোনতা নোনতা করবে। তার থেকে বরং আমাকে চিঠি লেখো। আর সেই চিঠি রেখে দিয়ো ওই ড্রয়ারের মধ্যে যেখানে পচছে আমার দেয়া আংটির বাক্সটা।
পোস্টবক্স নাহয় খালি থাকলো। খাম ভরুক স্মৃতি দিয়েই।

ইতি,
Ink pen এর কালি শেষ।